Wednesday, January 25, 2012

তাকে বলিনি কতটা ভালবাসি
সে বোঝে নি তার অস্তিত্ব আমার কাছে কি ;
সে জানে না তার সুখ গুলো আমার চোখের জল এর বিনিময় এ চাওয়া
কিন্তু তুমি তো বোঝ সৃষ্টিকর্তা , তুমি তো জানো......
তবে কেন আমার এ নিরবে কষ্ট পাওয়া , নিরবে কেঁদে যাওয়া ?

হয়তো তার কাছে হবে না যাওয়া , হবে না তাকে পাওয়া
তাকে আমার ভালবাসার কথাগুলি হবে না শোনানো ;
দিন শেষে , সূর্যের ওই রক্ত আবীর এ মিশে
নাইবা হল তার সাথে হারিয়ে যাওয়া ।

নাইবা হারালাম দুজন কোন দূর অজানায়;
তাতে কি? জীবন তো এখানেই শেষ নয়
শেষ নয় তো আমার এ ভালবাসার ।

Tuesday, January 24, 2012

circus tipaimukh (UNOFFICIAL)




আমরা যখন ছোট ছিলাম, তখন পেন্সিল ব্যবহার করতাম...
কিন্তু এখন আমরা কলম ব্যবহার করি...

কেন জানেন ?

কারণ ছোটবেলার ভুলগুলো রাবার দিয়ে মুছে ফেলা যেত...
কিন্তু বড় হওয়ার পর আর তা যায় না...

অদ্ভুত, কিন্তু সত্য...............................................

Sunday, January 22, 2012

আসুন পবিত্র কাবা শরীফ সম্পর্কে জেনে নিই


অনেক দিন ধরেই ভাবছিলাম পবিএ কাবা শরীফ সম্পর্কে একটি মেগা পোস্ট করব। তাই অনেক খুজেঁ আপনাদের জন্য জোগাড় করলাম এক্সক্লুসিভ কিছু তথ্য। যা জানা আমার মতে আপনার জন্য অনেক সোয়াবের হবে। না হলেও আপনার জেনারেল নলেজ বৃদ্ধি পাবে। তাই এক্ষুনি জেনে নিন পবিত্র কাবা শরীফ সম্পর্কে মূল্যবান কিছু তথ্য-
 
সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ মানুষের আদি পিতা হযরত আদম (আ.) ইবাদতের জন্য একটি মসজিদ চেয়ে আল্লাহর নিকট দোয়া করলে আল্লাহর হুকুমে ফেরেশতারা বাইতুল ইজ্জত এর নকশা পৃথিবীর মধ্যস্থলে ফেলে দেন।
বাইতুল ইজ্জত হচ্ছে চতুর্থ আসমানে অবস্থিত একটি মসজিদ যা ফেরেশতারা আল্লাহর ইবাদত করার জন্য ব্যবহার করে। হযরত আদম (আ.) এর ছেলে হযরত শীষ (আ.) ঐ নকশার উপর ভিত্তি করে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, এই মসজিদই আমাদের কাবা শরীফ।

অন্যান্য তথ্যঃ
১। কাবা শরীফের উচ্চতা পূর্ব দিক থেকে ১৪ মিটার, পশ্চিম ও দক্ষিন দিক থেকে ১২.১১ মিটার এবং উত্তর দিক থেকে ১১.২৮ মিটার। এর ভেতরের মেঝে রঙ্গিন মার্বেল পাথরে তৈরী। 
২। এর সিলিংকে তিনটি কাঠের পিলার ধরে রেখেছে। প্রতিটি পিলারের ব্যাস ৪৪ সে.মি.। কাবা শরীফের দুটি সিলিং রয়েছে। 
৩। এর ভেতরের দেয়ালগুলি সবুজ ভেলভেটের পর্দা দিয়ে আবৃত। এই পর্দাগুলি প্রতি তিন বছর পর পর পরিবর্তন করা হয়। 
৪। এর ছাদে ১২৭ সে.মি লম্বা ও ১০৪ সে.মি. প্রস্থের একটি ভেন্টিলেটার আছে যেটি দিয়ে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করে। এটি একটি কাচ দিয়ে ঢাকা থাকে। যখন কাবা ঘরের ভেতর ধোয়া হয় তখন এই কাচটি খোলা হয়। 
৫। কাবা ঘরের ভেতর প্রতি বছর দুবার ধোয়া হয়, শাবান মাসের ১৫ তারিখ এবং মহররম মাসের মাঝামঝি সময়। 
৬। মেঝে এবং দেয়াল গোলাপ আতর মিশ্রিত জমজমের পানি দিয়ে ধোয়া হয়। ধোয়ার পরে মেঝে এবং দেয়াল সাদা কাপড় ও টিসু দিয়ে মোছা হয়। এরপর দেয়ালগুলি পারফিউম দিয়ে সুগন্ধযুক্ত করা হয়। 
৭। কাবা শরীফের কালো কাপড়ের আবরনটি(কিশওয়া) প্রতি বছর ৯ই জিলহজ্জ পরিবর্তন করা হয়। — সুত্র : সৌদি গেজেট, ৩ জানুয়ারী, ২০১০। 
পবিত্র কাবা  ঘড়ের ভিতরের দৃশ্য ডা. মুজ্জামিল সিদ্দিকি, প্রেসিডেন্ট, ইসলামিক সোসাইটি, উত্তর আমেরিকা (আইএসএনএ) সৌভাগ্যক্রমে তিনি ১৯৯৮ সালের অক্টোবর মাসে এ পবিত্র ঘরখানার ভেতরে যাওয়ার সুযোগ পান। তিনি সাউন্ড ভিশনের সাক্ষাতকালে কাবাঘরের ভেতরের বর্ণনায় যা বলেন, তার কিছু অংশ এখানে উল্লেখ করা হলো- ১. কাবা ঘরের ভেতরে কোনো ইলেকট্রিক লাইট নাই। ২. এ ঘরের মেঝে এবং ওয়াল মার্বেল পাথর দ্বারা নির্মিত। ৩. এ ঘরের কোনো জানালা নাই। ৪. কাবা ঘরের ১টি মাত্র দরজা।
 
 
বাস্তবিক কাঠামো ও অবস্থানঃ
কাবা একটি বড় পাথরের কাজ করা কাঠামো যার আকৃতি প্রায় একটি ঘন এর মত। কাবা শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ মুকা’আব অর্থ ঘন থেকে। এটি কাছের মাক্কাহ পাহাড়ের গ্রানাইট দ্বারা তৈরি যা দাঁড়িয়ে আছে প্রায় ২৫সেঃমিঃ (১০ ইঞ্চি) মার্বেল পাথরের ভিত্তির উপর যা বাইরের দিকে ৩০সেঃমিঃ (১ ফুট) বাড়িয়ে আছে। কাঠামোতে জায়গার পরিমাণ প্রায়
১৩.১০ মিঃ (৪৩ ফুট) উচ্চতা, পাশাপাশি ১১.০৩ মিঃ X ১২.৬২ মিঃ  চারটি কোন কম্পাসের প্রায় চার বিন্দু বরাবর মুখ করা।কাবার পূর্ব কোনা হচ্ছে রুকন-আল- আসওয়াদ” (কাল পাথর অথবা “আল-হাজারুল-আসওয়াদ”), একটি উল্কাপিন্ডের অবশেষ; উত্তর কোনা হল “রুকন-আল-ইরাকী” (ইরাকী কোণ); পশ্চিমে রয়েছে “রুকন-আল-সামী” (পূর্ব-ভূমধ্য সাগরীয় কোণ) এবং দক্ষিণে “রুকন-আল-ইয়ামানী” ।
কাবা কালো সিল্কের উপরে স্বর্ণ-খচিত ক্যালিগ্রাফি করা কাপড়ের গিলাফে আবৃত থাকে। কাপড়টি কিসওয়াহ নামে পরিচিত ; যা প্রতিবছর পরিবর্তন করা হয়।কালেমা সাহাদাত এ কাপড়ের মধ্যে সুতা দিয়ে লিখার কাঠামো তৈরি করা হয়। এর দুই তৃতীয়াংশ কোরানের বাণী স্বর্ণ দিয়ে এম্রোয়ডারি করা হয়।
পবিত্র কাবা শরীফ পরিস্কার করার জন্যে এর দরজা বছরে দুইবার খোলা হয়। রমজান এর ১৫ দিন আগে এবং হজ্জ এর ১৫ দিন আগে। কাবা শরীফের দরজার চাবি বনী সায়বা নামক এক গোত্রের কাছে থাকে (মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এই চাবী এই গোত্রের কাছে দিয়েছিলেন, যা কিয়ামতের আগ পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে)। তারা কাবা শরীফ পরিস্কার করার কাজের জন্য বিভিন্ন মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, কুটনীতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের দের অভিবাদন জানান। মক্কা শহরের গভর্নর তাদের কাবা শরীফের ভিতরে নিয়ে যান এবং তারা জমজম কুপের পানি এবং গোলাপ জল দিয়ে কাবা শরীফের ভিতর পরিস্কার করেন।

বাংলাদেশের ন্যাশনাল আইডি কার্ডের নাম্বার বিশ্লেষণ



বিভিন্ন দেশ তার নাগরিকদের জন্য ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ব্যবস্থা করে থাকে। বাংলাদেশ সরকারও তার নাগরিকদের জন্য সম্প্রতি ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ব্যবস্থা করেছে। অনেক দেরীতে হলেও এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি ভাল উদ্যোগ।
আমাদের আইডি কার্ডে কার্ডের পরিচয় সূচক ১৩টি নম্বর রয়েছে। এই ১৩টি নম্বরের রয়েছে আলাদা বৈশিষ্ট্য। আসুন জেনে নিই এই ১৩ টি নম্বর কি কি অর্থ বহন করে।
যেমন উদাহরণস্বরূপ একটি আইডি কার্ড নম্বর নেয়া যাক-
৮৪২৮৭০৮১৪৮৩৩৭ (আমার আইডি কার্ড)
*** এখানে প্রথম ২টি ডিজিট হচ্ছে জেলা কোড। যেমন এখানে ৮৪ হচ্ছে রাংগামাটি জেলার কোড।
*** এর পরবর্তী ডিজিট হচ্ছে ২। ২ কোডটি ব্যবহৃত হয় পৌর এলাকা বোঝানোর জন্য। এখানে ১ থাকার অর্থ পল্লী এলাকা, ৩ থাকার অর্থ শহর এলাকা, ৫ থাকার অর্থ ক্যান্টঃ বোর্ড, ৯ থাকার অর্থ সিটি কর্পোরেশন।
*** পরবর্তী ২টি ডিজিট হচ্ছে উপজেলা কোড। এক্ষেত্রে ৮৭ হচ্ছে রাংগামাটি সদর উপজেলা কোড।
*** পরবর্তী ২টি ডিজিট হচ্ছে পৌর ওয়ার্ড/ইউনিয়ন কোড। এখানে ০৮
*** পরবর্তী ৬টি ডিজিট হচ্ছে ব্যক্তিগত আইডেন্টিফিকেশন নম্বর।

Friday, January 20, 2012

"বন্ধুত্ব" বলতে আমরা আসলে কি বুঝি ?

"বন্ধুত্ব" বলতে আমরা আসলে কি বুঝি ?
||
||
||
দুই বন্ধু মরুভুমি এর মদ্ধ দিয়ে হাঁটছিল একসময়
তাদের মধ্যে কোন এক বিষয়
নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় আর এক বন্ধু আরেক
বন্ধুকে থাপ্পড় দেয় যাকে থাপ্পড় দেয়া হয় সে কষ্ট
পায় কিন্তু সে অপর জনকে কিছুই না বলে বালু
তে লিখে রাখে “ আজ আমার সবচে প্রিয় বন্ধু
আমাকে থাপ্পড় মেরেছে” তারা এরপর আবার
হাটতে থাকল যতক্ষণ না তারা একটা জলাধার এর
সন্ধান পেল! তারা সেখানে গোসল করার সিদ্ধান্ত
নিল হঠাৎ যে বন্ধুটি থাপ্পড় খেয়েছিল
সে চোরাবালিতে পরে ডুবে যেতে থাকল কিন্তু অপর
বন্ধু তাকে উদ্ধার করলো !! এর পর বন্ধুটি এক
পাথর এ লিখল “ আজ আমার সচে প্রিয় বন্ধু
আমাকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছে “
এটা দেখে অপর বন্ধু যে তার বন্ধুকে একবার থাপ্পর
দিয়েছিলো আর পরে আবার তার জীবন বাচাল
সে জিজ্ঞেস করলো “ আমি যখন তোকে একবার
মারলাম তখন তুই বালিতে লিখলি কিন্তু যখন
তোকে বাচালাম তখন পাথর এ লিখলি কেন??
অপর বন্ধুর উত্তর “ যখন কেউ আমাদের আঘাত
করে তখন সেটা আমাদের বালিতে লিখা উচিৎ
যাতে ক্ষমা এর বাতাস সেটা মুছে দিতে পারে কিন্তু
যখন কেউ আমাদের জন্য ভালো কিছু
করে সেটা আমাদের পাথরে লিখে রাখা উচিৎ
যাতে কোন কিছু টা মুছে দিতে না পারে” তাই সবাই সবার সম্পর্ক কে শ্রদ্ধা করুন .... বিশেষ করে সত্যিকার বন্ধুত্ব কে ..... সামান্য কোন ভুল বোঝাবুঝিতে যেন কারো বন্ধুত্তের সম্পর্কে কালোমেঘে ছেয়ে না যায় !!!
 
-সংগৃহীত।

Thursday, January 19, 2012

Study Tour In Kaptai-2012 Exploring Knowledge






DIUCPC ( Daffodil International University Computer Programming Club ) এর আয়োজনে CSE Department Study Tour.    স্থান নির্ধারিত হয় কাপ্তাই।   বলা হয় ১৩ তারিখ রাত ৯ টার মধ্যে কমলাপুর রেলস্টেশন সবাই কে থাকতে।  আমরা 25th Batch sec B এর সবাই সন্ধা 7.30 pm  বাসে করে university এর সামনে থেকে যাত্রা কলাম। 
 স্টেশনে আমাদের Cap দেয়া হয় এবং Head of the Department Prof. Dr. Syed Akhter Hossain  আমাদের Tour সম্পর্কে Instruction দিলেন।  Train এ student এর জ়ন্য তিন টি ও Teacher এর জ়ন্য একটি বগি ভাড়া নেয়া হয়। 

Train 12.30 am চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে।  Train এ সবাই মিলে অনেক মজা করলাম ।  ভোরের দিকে ক্লান্ত হয়ে ঘুম...।  সকাল 7.30 am চট্রগ্রামে Train থামল।  সেখানে Kamanashis Biswas Sir আমাদের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন। Train থেকে নেমে ৩ টি বাস ও ১ টি মাইক্রো্বাসে চেপে কাপ্তাই এর উদ্দেশ্যে যাত্রা কলাম। পথে চট্রগ্রামের বিখ্যাত হোটেল Hotel Zaman & Restaurant  এ সকালের নাস্তা করলাম।  বাস থামল কর্নফুলী পেপার মিল এর সামনে।  সেখানে আমরা বাঁশ হতে কাগজের মন্ড থেকে শুরু করে কাগজ উৎপাদনের সবকটি প্রক্রিয়াই দেখানো হয়। 

তারপর  আবার যাত্রা শুরু আঁকাবাঁকা উচু নিচু  পাহাড়ি পথ ধরে ......বাস থামল প্যানোরমা পিকনিক স্পট।  সেখানে লেক ও পাহাড় গুলুকে এতো সুন্দর দেখাচ্ছিল বর্ননা করার ভাষা আমার নেই।এখানে প্রায় ১ ঘন্টা ছিলাম তার পর আবার আঁকাবাঁকা পথ ধরে চলা শুরু মূল স্পট কাপ্তাই। সেখানে গিয়ে আমাদের জন্য দুপুরের খাবার তৈরি।  খাবার পর্ব শেষে আমার ঘুরটে বের হলাম।সেখানে দেখালাম মহান আল্লাহর অনন্য , অসাধারন  সৃষ্টির সৌন্দর্য। 

প্রায় 4.30 pm এর দিকে  শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে কৌ্তুক, আবৃতি,গান,Dance,অভিনয় করা হয়। তারপর হয় মেয়েদের Pillow Games, প্রথম হয়  25th Batch sec B থেকে আমাদেরই Friend এখানে প্রথম পাঁচ জন কে পুরষ্কার দেয়া হয় । এরপর ছেলেদের মোরগ লড়াই। এখানে বড় ভাই  প্রথম  আমি দ্বিতীয় ।এরপর RAFFLE Drew এতে ৩০টি  পুরষ্কার দেয়া হয়। এখানে প্রথম, দ্বিতীয় থেকে শুরু করে অনেক পুরষ্কার 25th Batch sec B তে আসে।সর্বশেষ হয় DJ Dance... এ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সবচেয়ে মজা হয়েছে বড় ভাইদের হিজরার অভিনয়। Kamanashis Biswas Sir এর আবৃতিটি ও mind blowing. .
  

সন্ধা 6.30 pm এ আমরা বাসে করে  চট্রগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলাম। পথে একটি Coffee Shop থেকে Coffee খেলাম। সবাই এতো ক্লান্ত ছিল বাসেই ঘুম। বাস থামল সেই Hotel Zaman & Restaurant এর সামনে। এখানে রাতের খাবার শেষে চট্রগ্রাম রেলস্টেশন। Train ছাড়ল 11.00 pm ।আসার পথেও Train এ সবাই মিলে অনেক মজা করলাম। সবাই  ক্লান্ত ছিল তাই  ঘুমিয়ে পরল। সকাল 7.00 am  Train থামল কমলাপুর রেলস্টেশন।  

সবাই যাত্রা কলাম যার যার বাসার উদ্দেশ্যে। তখন সবার মনে একটাই চিন্তা দুটি দিন অনেক মজা ,অনেক আনন্দে কাটালাম ............কাল থেকে আবার শুরু সেই পুরুনো ব্যস্ততা.........Class, Assignment, Quiz, Job........................









Wednesday, January 18, 2012

" বন্ধুত্ব "

by Ferdous Wahid on Sunday, August 7, 2011 at 1:37am

চাই বন্ধুর এমন নিঃস্বার্থ কাধ
যেখানে থাকবে না কোন
দ্বন্দ,  দুঃখ,  গ্লানি আর রাগ ।

যেখানে আছে শুধু
ঐক্য , ভালবাসা
আর  আছে এক সাথে
এগিয়ে চলার সকল কিছু ।

পেছনের সব কলুষতা ভূলে
এগিয়ে যাব সকলে
এক সাথে , এক হয়ে ।।

poem

YouRe So Far Way
Yet You Are Here
I CanT See Your Face
But I Can Feel You Near

I CanT Touch You
But I Hold You Close
No Matter Where You Are
YouRe In My Heart
Wherever I Go

Hopefully The Miles Between Us
Will Disappear Soon
Because All I Want
Is To Be With You.....

অবস্থান - শিমুল মুস্তাফা

এখন আমার ভীষণ খরা
হাতের মুঠোয় লক্ষ তাঁরা
একটি তারাও যায়না ধরা
কেউ বলে না, কেউ টলে না
কেমন আছ? কোথায় আছ?
কোন পাতাতে ফুল গুঁজেছ
কেউ বলে না, কেউ বলে না

কোন বারুদে অগ্নি বেশি, কোন ফাগুনে ফুল
কোন কথাটা শুদ্ধ বেশি, কোন কথাটা ভুল
কেউ বলে না, কেউ বলে না

কোন পাখিটা দুঃখী ভীষণ, কোন পাখিটা সুখী
কোন আঁখিটা সুখী ভীষণ, কোন নদীটা দুঃখী
কেউ বলে না, কেউ বলে না
বুকের কাছে আলতো এসে
লাজুক চোখে ভালোবেসে
একটি বারও কেউ বলে না
যেমন ছিলে তেমন থেকো
তেমন থেকো যেমন ছিলে
তোমার জীবন সুখের হবে
কেউ বলে না, কেউ চলে না
কেউ বলে না

এখন আমায় কেউ বলে না!
অষ্ট প্রহর কেমন থাক?
স্বপন মাঝে কোথায় থাক?

কোন তারাটা নিশিত রাতে
আমার জাগার সাক্ষী থাকে?
কেউ জানে না, কেউ জানে না
কেউ জানে না, কেউ বুঝে না
কেউ বুঝে না, কেউ খোজে না
কোন পুকুরের পদ্ম ঘুলো
ভোর না হতে নিখোঁজ হতো
কোন বাগানের বোধ ঘুলো সব
সারা দুপুর রোদ পোহাত
একটি যুগল আসবে বলে
সারা দুপুর সন্ধ্যা হলো
কেউ এলো না


Monday, January 16, 2012

বাংলাদেশ ইসলাম বিদ্বেষ



বর্তমান মহাজোট সরকারের তিন বছরে দেশে চরমভাবে বিদ্বেষের শিকার হয় ইসলাম, ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠান। ক্ষমতায় গেলে কোরআন-সুন্নাহবিরোধী কোনো আইন করা হবে না মর্মে নির্বাচনী ওয়াদা দেয়ার পর তা ভঙ্গ করে সরকার একের পর ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এতে হতবাক হয়ে যায় মানুষ। শতকরা ৯০ ভাগ মুসলমানের এদেশে সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা বাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিস্থাপন, কোরআন-সুন্নাহবিরোধী নারীনীতি প্রণয়ন, ইসলামবিরোধী ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতি চালু, বোরকাবিরোধী রায় ও পরিপত্র জারি, সরকারের কর্তাব্যক্তিদের ইসলামবিরোধী বক্তব্য, আল্লাহ, রাসুল (সা.) ও ইসলাম নিয়ে বিভিন্ন মহলের কটূক্তি, আলেমদের নির্যাতন, দাড়ি-টুপি ও বোরকাধারীদের হয়রানি, ইসলামিক ফাউন্ডেশনে অনৈসলামিক কর্মকাণ্ড, জেহাদি বইয়ের নামে অপপ্রচার, ইসলামী রাজনীতি দমন ও মাদরাসাবিরোধী ষড়যন্ত্রসহ সরকারের ব্যাপক ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সাধারণ মানুষ।

গোলাম আযমের গ্রেফতারে বিজয়ের পথে আরেক ধাপ এগোল জামায়াত


জামাত-শিবির সম্পর্কে এক ধরণের অস্বস্তিকর ভীতির সঞ্চার করা হয়েছে সাধারণ মানুষের মনে। ভীতি সঞ্চার করা হয়েছে নিখুঁত পরিকল্পনার মাধ্যমে, অতি যত্নের সাথে, দীর্ঘ দিনের অক্লান্ত সাধণার মাধ্যমে। এরই ফলশ্রুতিতে যারা জামাত-শিবিরের কোন কর্মীকে সরাসরি দেখার সুযোগ পায়নি তারা যখন এদের নাম শুনতে পায়, তাদের দূর্বল মনের পর্দায় ভেসে ওঠে দন্ত-নখর ছড়িয়ে হামলে পড়া ভয়ংকর রাক্ষসের বিভৎস চেহারা। “রগ কাটা” গালি শুনতে শুনতে অভ্যস্ত সাধারণ মানুষে ভাবতেই পারে, জামাত-শিবিরের কর্মীরা ক্ষুর নিয়ে নরসুন্দরের মতো পথে প্রান্তরে, হাটে-বাজারে ঘুরে বেড়ায় কঁচি কঁচি ছাত্রদের তরতাজা রগের সন্ধানে, যেন প্রথম সুযোগেই কসাইয়ের নিঁপুন হাতে হাত পায়ের রগ কেটে ম্যাগি নুডুলস বানিয়ে খাবে। কেউ কেউ আরো একধাপ এগিয়ে মগবাজার, পল্টন, কাটাবন কিংবা জামায়াত নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোয় পথ চলতে চলতে শুনতে পান ভূগর্ভস্থ সারি সারি ট্যাংক, সাজোয়াযানের কুচকাওয়াজ।
কিন্তু জামায়াত-শিবিরের যেকোন নেতা-কর্মীর সাথে সেই ভীতসন্ত্রস্ত নাগরিক প্রথম দর্শনেই কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যান। কল্পণার আর্টগ্যালারিতে সজ্জিত ভয়ালদর্শন রাক্ষসের সাথে নীরিহ অতি সাধারণ মানুষটিকে মেলাতে একেবারেই অপরাগ হন। আরো আশ্চর্য, প্রতি নিয়ত রাস্তাঘাটে, হাটে বাজারে, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াত শিবিরের এই কল্পিত দানবেরাই প্রতিপক্ষের হাতে নির্যাতিত হয়, হাত-পায়ের রগ খুইয়ে বিছানায় কাতরায়, প্রকাশ্যে লগি-বৈঠার আঘাতে আঘাতে কুকুরের মতো নিহত হয়। সুদীর্ঘ সময় ধরে অঙ্কিত এই কল্পিত রাক্ষস-খোক্ষসেরা নিয়মিত মিছিলে নির্যাতিত হয়, মিটিংয়ে নিপীড়নের শিকার হয়, মানববন্ধনে রক্তাক্ত হয়, প্রতি মুহুর্তে এদের মৃত্যুর দুয়ার থেকে পালিয়ে বেড়াতে হয়।
একাত্তরে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক অপপ্রচারের পরেও সাধারণ মানুষেরা এইসব অতি সাধারণ নেতা-কর্মীদের মুখোমুখি হয়ে তাদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে পড়ছে, দিনে দিনে জামাত-শিবিরের দাওয়াত ছড়িয়ে পড়ছে দেশের প্রতিটি কোনে কোনে। দিনে দিনে জামাত সাধারণ মানুষের মাঝে এতটাই শক্তিশালী শেকড় গেড়েছে যে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন অনিবার্য বাস্তবতা নাম জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত যে কোন আন্দোলনে সমর্থন দিলে সে আন্দোলন সাফল্য পায়, জামায়াত সমর্থন উঠিয়ে নিলে সে আন্দোলন মাঠে মারা যায়।
জামায়াত এ অগ্রযাত্রার প্রতি পদক্ষেপে সীমাহীন বাঁধার মুখোমুখি হয়েছে। ভারতীয় উপমহাদেশে জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এমন কোন সরকারের আমল নেই যখন জামায়াত নির্যাতিত হয় নি। তারপরও জামায়াতের শেকড় ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে। যে জমিন সিক্ত হয়েছে জামাত-শিবিরের রক্তে, সে জমিন প্রতিদান দিতে কুন্ঠিত হয়নি, সে জমিন পরিণত হয়েছে দূর্ভেদ্য ঘাটিতে।
 
প্রচারেই প্রসার। জামায়াতের ক্ষেত্রে দেখি তার পুরো উল্টো চিত্র। জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচারেই যেন জামায়াতের সম্প্রসারণ ঘটে চলেছে। জামায়াতকে সন্ত্রাসী প্রমাণে চেষ্টা হয়েছে, তারা সন্ত্রাসের শিকার বলে প্রমাণিত হয়েছে; জামায়াতকে জঙ্গী প্রমাণে চেষ্টা হয়েছে, জামায়াত জঙ্গীবাদের শিকার বলে প্রমাণিত হয়েছে; জেএমবি জঙ্গীদের বিরুদ্ধে আইনী লড়াইয়ে কেবলমাত্র জামায়াতে ইসলামীর প্রথম সারির নেতাকে জীবন দিতে হয়েছে, জঙ্গীদের গুলিতে প্রাণ দিতে হয়েছে জামায়াতের সাবেক জেলা আমীর এ্যাডভোকেট হায়দার হোসাইনকে। ফলে যেখানেই জামায়াত বিরোধী অপপ্রচার সেখানেই সাধারণ মানুষ প্রকৃত সত্যের মুখোমুখি হয়ে জামায়াতের সমর্থকে পরিণত হয়ে পড়ে।
এখনো থেমে নেই জামায়াত বিরোধী অপপ্রচার। জামায়াতকে সন্ত্রাসী-জঙ্গী প্রমাণে উঠে পড়ে লেগেছে ওরা। একের পর এক জামায়াতের নেতাদেরকে গ্রেফতার করে ফাঁদ পাতা হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে প্রথম সারির নেতা থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের নেতাদেরও, গ্রেফতার করা হয়েছে কয়েক হাজার সাধারণ কর্মী-সমর্থককে। উদ্দেশ্য স্পষ্ট, জামায়াতকে একটি গৃহযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করা। সুদীর্ঘ সময় নিয়ে জামায়াতের যে ভয়াল চরিত্র তৈরী করেছে ইসলামী আন্দোলনের শত্রুরা, প্রতিমুহুর্তে খুঁচি খুঁচিয়ে জামায়াতের ভেতর থেকে বের করার চেষ্টা চলছে কল্পিত সেই দৈত্যদের।
সবকিছু ব্যর্থ হলেও ওরা ভেবেছিল ইসলামী আন্দোলনের প্রাণপুরুষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক জিএস ও ভাষা সৈনিক, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর অধ্যাপক গোলাম আযমের গ্রেফতারের সময় হয়তো ফাঁদে পা দেবে জামায়াত-শিবির। মতিউর রহমান নিজামীর গ্রেফতারেও ওরা ভেবেছিল জামাত-শিবির হামলে পড়বে প্রচন্ড আক্রোশে, কোনঠাসা বেড়াল যেমন আত্মরক্ষায় ভয়ংকর শব্দে ফেটে পড়ে। মুজাহিদ, সাঈদী, কামারুজ্জামান, কাদের মোল্লাদের গ্রেফতারেও ঠিক তেমনি জামাত-শিবিরের ভেতর থেকে কল্পিত দৈত্যদের খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে বের করতে অসমর্থ হয়েছে ওরা। এরই ধারাবাহিকতায় আজ (১২ জানুয়ারী ২০১২) তারিখেও গোলাম আযমের গ্রেফতারের প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলে পুলিশ পরিকল্পিত হামলা চালিয়ে জামাত-শিবিরকে সন্ত্রাসী প্রমাণের নাটক করেছে।
এতকিছুর পরও জামায়াতে ইসলামী তাদের সত্যিকারের চারিত্রিক মাধুর্য সাধারণ মানুষের সামনে ফুটিয়ে তুলতে সমর্থ হয়েছে। জামায়াত-শিবির প্রমাণ করেছে তারা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনে বিশ্বাস করে। গোলাম আযমের মতো বয়োবৃদ্ধ নেতাকে যেভাবে হেনস্তা করা হলো তারপরেও ব্যক্তিগত স্বার্থকে কুরবানী দিয়ে ইসলামী আন্দোলনের কল্যাণে, দেশের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে জামায়াত শিবির সন্ত্রাসের পথকে সযত্নে এড়িয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে তাদের প্রত্যাশিত বিজয়ের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেল বলেই সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে।

যখন তোমাকে বলি : 'ভালোবাসি ।'
তারমানে এই নয়,আমি তুমি ছাড়া
আর কিছু ভালোই বাসি না ।
যখন তোমাকে বলি : 'ভালোবাসি ।'
পাশাপাশি আমি কি তখন দেখি না
আকাশে মেঘ? পাতার আড়ালে ফুল?
ফুলের ওপারে পাখি? তোমাকে দেখার নামে
আমি আড়চোখে পৃথিবীর পৃথিবীকে দেখি ।

তোমার শাড়ির পাড়ে লেগে থাকে ভোরের শিশির ।
তোমার পায়ের রাঙা গোড়ালিকে ঘিরে
বনের সবুজ ঘাস মনের গোধূলি খেলা করে ।

তখন হঠাত্‍ ভাবি,তোমাকে বেসেছি ভালো,
তোমার পায়ের নিচে পৃথিবীর ঘাস আছে বলে

তোমার পায়ের নিচে পৃথিবীর ঘাস
                                                -নির্মলেন্দু গুণ
কাউকে ভালোবাসার জন্য কোন কারন লাগেনা !!
তুমি যদি ব্যাখ্যা করতে পার কেন তাকে তুমি ভালোবাসো.... তাহলে এটা পছন্দ !
কিন্তু যদি না পার...... এটাই হচ্ছে ভালবাসা !!

আল কোরআন

অপরকে ঘৃণার চোখে উপহাস করিও না, যেহেতু তাহারা তোমাদের অপেক্ষা ভাল হইতে পারে। অপরের ত্রুটি অনুসন্ধান করিও না, এবং একজনের অসাক্ষাতে নিন্দা করিও না। আল্লাহকে ভয় কর, যেহেতু আল্লাহ দয়ালু ও ক্ষমাকারী।-
কত যে ভালোবাসি তোমাকে,
মন আমার অন্য কিছু নাহী মানে,
হরেক রংগের সপ্ন আঁকে মনে,
তুমি ছাড়া কেউ নেই এই মন ভূবনে ...

আপনি জানেন কি ??

Coca cola'র লোগোটিকে উল্টালে কি হয় জানেন?
মূলত লেখা আছে ---
লা মুহাম্মদ লা মক্কা ---
অর্থাৎ মুহাম্মদ এবং মক্কাকে না বলুন বা বর্জন করুন!!!
নাউযুবিল্লাহ!!


PEPSI - এর পূর্ণরূপ কি জানেন?
"PAY EACH PENNY to SAVE ISRAEL "
যার অর্থ "ইসরায়েলকে রক্ষা করতে প্রত্যেকটি পেনি(ইসরায়েলের মুদ্রা) দিন।

Sunday, January 15, 2012

যেদিন হারিয়ে যাবো অজানায়
রেখে একা তোমাকে
সেদিন হয়তো মনের অজান্তেই
খুঁজবে এই আমাকে।
যেদিন চলে যাবো আমি
তোমায় ছেড়ে বহু দুরে
সেদিন কাঁদবে তুমি চুপি চুপি
লুকিয়ে একলা ঘরে।
যখন পৃথিবী ছেড়ে আমি
না ফেরার দেশে চলে যাবো
তখন তোমার মনের আয়নায়
হয়তো স্মৃতি হয়ে ভাসবো।
যখন তোমার লিখা বন্ধু কবিতা
একা বসে তুমি পড়বে
তখন অবশ্যই এই আমাকে
স্মরন তুমি করবে।

তোমার হৃদয়ে প্রতিনিয়ত লেখা থাকবে এই নামটি-
-(collected)

Friday, January 13, 2012

স্বার্থপরতা

→যদি কখনও কাউকে হারিয়ে ফেল এবং তার জন্য কষ্ট পাও তখন মনে করবে তুমি পৃথিবীতে একাই এসেছিলে। তাই তোমাকে একাই পথ চলতে হবে। আর যদি অনেক কষ্ট পাও তখন কষ্টটাকে সুখ ভেবে মেনে নাও এবং সেখান থেকে শিখ। তারপর আবার পথ চলতে শুরু কর। কারন স্বার্থপর এই পৃথিবীতে কেউ কারো নয়। ....

সন্ত্রাসবাদ Is Against of ইসলাম

video
সন্ত্রাসবাদ যে কোন জায়গায়, আর অপবাদ শুধু মুসলমানদের নামে !?!?

▬ যখন আমেরিকা তেলের জন্য ১০ লাখ ইরাকীর প্রান কেড়ে নেয়ঃ তা সন্ত্রাসবাদ না !
▬ যখন সার্বরা কসোভা/বসনিয়ায় মুসলিম নারীকে ধর্ষণ করেঃ তা সন্ত্রাসবাদ না !
▬ যখন রাশিয়ানরা বোমা বিস্ফোরণ করে ১০ লাখ চেচনিয়ার নাগরিকদের হত্যা করেঃ তা সন্ত্রাসবাদ না !
▬ যখন ইহুদীরা ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজেদের ভূমি থেকে বিতাড়িত করে দেয়ঃ তা সন্ত্রাসবাদ না !
▬ যখন আমেরিকার ড্রোণ আফগানিস্তান/পাকিস্তানে কোন পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ঃ তা সন্ত্রাসবাদ না !
▬ যখন ইসরায়েল তাদের ২ জন নিখোঁজ সৈন্যের জন্য ১০০০০ সাধারন লেবানিজদের হত্যা করেঃ তা সন্ত্রাসবাদ না !

মনে হয়, "সন্ত্রাসবাদ" শব্দটি শুধুমাত্র মুসলমানদের উপর আরোপ করার জন্যই আবিষ্কার হয়েছে !!

শুধুমাত্র একটি কথা বলতে চাই -->> মুসলমানরা সন্ত্রাসী না।

▬ সন্ত্রাসীদের ভিন্ন ভিন্ন কোন ধর্মই নেই; একটাই->>>> "সন্ত্রাসবাদ"। ▬

Wednesday, January 11, 2012

বানী

"শত্রুকে যদি একবার ভয় কর তবে বন্ধুকে অন্তত দশবার ভয় করিও, কারণ বন্ধু যদি কোনোসময় শত্রু হয় তখন তার কবল হইতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হইবে না।" -ইবনুল ফুরাত

হতাশা দিয়ে স্বপ্নকে কখনো ঢেকে ফেলতে দিবেন না।

  একটু কষ্ট করে পুরাটা পরেন   Plz  মনে হয় না খারাপ লাগবে।
একজন সুপরিচিত বক্তা একটি ৫০০ টাকার নোট হাতে নিয়ে তাঁর সেমিনার শুরু করলেন।
তিনি বললেন, “এই রুমে ২০০ জন অতিথির মধ্যে, কে এই ৫০০ টাকার নোটটি পছন্দ করেন? হাত উপরে তুলুন।”

সবাই হাত উপরে তুলতে লাগল।

তিনি বললেন, “আমি এই নোটটি আপনাদের যেকোনো একজন কে দিতে যাচ্ছি।”

Tuesday, January 10, 2012

প্রকৃতির নির্মম ঘাতক ‘চোরাবালি’

প্রকৃতিতে রয়েছে হাজারো সম্পদ। তবে এই সম্পদের সাথে সাথে আবার প্রকৃতিতে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভয়। যদি বলেন ঝড়, জলোচ্ছ্বাস বা ভূমিকম্পের কথা তবে এগুলো কিন্তু প্রকৃতির বিপদেরই অংশ। এই সকল বিপদ ছাড়াও প্রকৃতিতে আছে কিছু নির্মম বিপদ। যার মধ্যে একটি অন্যতম হচ্ছে চোরাবালি। ১৯৬৪ সালের কথা, কলেজ ছাত্র দুই বন্ধু জ্যাক আর ফ্রেড দক্ষিণ ফ্লোরিডার অকিচবি হ্রদের চারপাশের জলাজমির মধ্যে পরাশ্রয়ী উদ্ভিদ খুঁজছিল।

হঠা জ্যাকের পা নরম বালিতে আটকে যায়সে তার অপর বন্ধুকে সতর্ক করতে বলছিল, সে যেন আগে না আসে। কিন্তু সে নিজে ধীরে ধীরে সেই চোরাবালির মধ্যে ডুবে যাচ্ছিল। তার বন্ধু ফ্রেড তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সবই বৃথা হল। কিছুক্ষণের মধ্যে চোরাবালি জ্যাককে গিলে ফেললো। এটি কোনও নিছক কল্প-কাহিনী নয়, এটি একটি সত্য ঘটনা । অবাক হলেও সত্য যে, চোরাবালি এমনই এক ভয়ংকর জিনিস যা শুধু মানুষ নয়, জন্তু-জানোয়ার, বাস, ট্রাক এমনকি আস্ত রেলের বগি পর্যন্ত গিলে ফেলতে পারে। ১৮৭৫ সালের দিকে কলোরাডোর একটি ট্রেন লাইন চ্যুত হয়ে চোরাবালিতে নিমজ্জিত হয়েছিল এবং ট্রেনটি ৫০ ফুট গভীরে চলে গিয়েছিল বলে জানা যায়।

চোরাবালি কী?
সাধারণত যখন বালি, কাদা বা নুড়ি গর্ভস্থ পানির প্রবাহের সান্নিধ্যে আসে, সেই বালি

মুসলমানদের গর্ব : ইরান ও আহমেদিনেজাদ

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে পরাক্রমশালী শাসক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। এরপর যদি আপনাকে বলা হয় দ্বিতীয় পরাক্রমশালী শাসকের নাম বলতে, আপনি কার নাম বলবেন? একেক জন একেক জনের নাম বলতে পারেন। তবে আমি বলবো ইরানি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ এর নাম। শ্রেষ্ঠ পরাক্রমশালী কোনও শাসক যখন  অন্য কোনও শাসকের ভয়ে তটস্থ থাকেন তখন অবশ্যই তিনিই হবেন দ্বিতীয় পরাক্রমশালী শাসক। বিশ্বের প্রত্যেক দেশেই আছে একজন প্রেসিডেন্ট বা সরকার প্রধান।
তবে সরকার প্রধানগুলো সবাই দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, বিলাসিতা,

আপনার হাতের মোবাইল সেটটি আসল না নকল কিংবা কোথায় তৈরি হয়েছে



বিষয়টি জেনে নিন শুধু একটি কোড টাইপের মাধ্যমে। আপনার হ্যান্ডসেটে *#06# চাপুন, সঙ্গে সঙ্গে 15 সংখ্যার একটি আন্তর্জাতিক মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেনটিটি নম্বর চলে আসবে। এখন ৭ম এবং ৮ম নম্বরের দিকে খেয়াল করুন। যদি ৭ম এবং ৮ম নম্বর 02 বা 20 হয়, সেক্ষেত্রে হ্যান্ডসেটটির কোয়ালিটি খুব খারাপ, 08 বা 80 হয়ে থাকলে হ্যান্ডসেটটির কোয়ালিটি মানসম্মত, 01 বা 10 হলে খুব ভালো, 00 হলে হ্যান্ডসেটটি প্রধান কারখানার তৈরি এবং 13 হলে সেটের কোয়ালিটি খুবই খারাপ এবং এটি আপনার স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে।

Actual post: http://www.somewhereinblog.net/blog/fahim002/29519943

কুরআনের আয়াত



''আপনি আপনার পরিবারের লোকদেরকে নামাযের আদেশ দিন এবং নিজেও এর ওপর অবিচল থাকুন। আমি আপনার কাছে কোন রিযিক চাই না। আমি আপনাকে রিযিক দেই এবং আল্লাহ ভীরুতার পরিণাম শুভ।''

[সূরা ত্বাহা: ১৩২]

NEVER LIGHT CANDLE in A.C. ROOM



Due to lack of oxygen in the room, the burning of the candle cannot fully oxidize & thus forms dangerous carbon monoxide.

Carbon monoxide will prevent oxygen exchange in the lungs, resulting in the Person dozing off to a state of unconsciousness & eventually death in less than an hour, depending on the room size.

this info is to make you aware of such danger when lighting aroma therapeutic candles in any unventilated rooms.
Prevention is better than cure...

Please read this and pass on...

STROKE স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করার উপায় !!!

 হয়তো আপনিও কারো জীবন বাঁচাতে পারব
STROKE স্ট্রোকঃ মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R


 আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।

একটি সত্যি গল্পঃ

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স

Sunday, January 8, 2012

..... " কেন ভালবাসি ".....

ভালবাসা সবসময় কাছে টানে না দূরেও ঠেলে দেয়। কথাটা পড়েছিলাম অনেক আগে।
অর্থ বুঝিনি তখন। কিন্তু এর অর্থ যে আমাকে উপলব্ধি করতে হবে  মুহূর্তে মুহূর্তে তা কে ভেবেছিল। এত যাতনা সহ্য করি কী করে।
অনেকবার চিন্তা করেছি তাকে কেন ভালবাসি। এর উত্তর খুঁজে পায় নি।
তার কী আমার ভাল লাগে তা ভাবেছি অনেক। পেয়েছি সামান্য্  কিছুই। ভাল লাগে না এমন অনেক কিছুই পেয়েছি।
তাকে পাবনা কখনো এজন্যই কি তাকে ভালবাসি ????????       তা না হলে  কেন  ?????????


ঘোর আঁধারে..

 
পৃথিবী যখন ঘোর আঁধারে..
মানবতা একে বারে নিঃশ্ব।

রাসূল তোমার আগমনে
আলোকিত হলো সারা বিশ্ব।

পথ হারা মুসাফির তোমার ডাকে
খোজে পেল সত্যের সন্ধান।

শএুরা হয়ে গেল বন্ধু সবে
শুরু হল মুক্তির জয়গান।

বঞ্চিত অসহায় ফির পেল অধিকার
পাল্টে গেল গোটা দৃশ্য।

পৃথিবী যখন ঘোর আঁধারে..
মানবতা একে বারে নিঃশ্ব।

~** তখন হয়ত **~


আমাকে সরিয়ে দূরে ,
কাকে তুমি রাখ কাছে ?

কষ্ট দিয়ে আমার মনে ,
তুমি হাসো কার বুকে ?
কাকে তুমি বাসো ভালো ,
আমায় হেলা করে ?

একদিন তুমি বুঝবে আমায় ,
তোমায় ভালবাসি কতটুকু ,
কিন্তু তখন হয়ত ,
তোমার আমি -
জড়াব অন্য মায়ায় ..............
                               -(collected)

সকলের প্রতি সুবিচার করা ঈমানের দাবি

“নিশ্চয়ই কোন জাতির বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে তাদের প্রতি অবিচার করতে উদ্বুদ্ধ না করে। তোমরা নির্বিশেষে সকলের প্রতি সুবিচার কর, কারণ তাই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী। জেনে রেখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজের খবর রাখেন।” (সূরা মায়িদা-আয়াত : ৮)


বিচার ও ইনসাফ প্রত্যেকটি মানুষের অতি স্বাভাবিক অধিকারের বিষয়। পানি, আলো ও বাতাস প্রভৃতি প্রাকৃতিক সম্পদ যেমন দেশের প্রত্যেকটি মানুষই পেতে পারে। এ অধিকার থেকে কেউ কাউকে বঞ্চিত করতে পারে না, তেমনি

পুণ্যের দ্বারা পাপ মোচন হয়

“আর যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আমি অবশ্যই তাদের মন্দ কাজগুলো মিটিয়ে দেবো এবং তাদেরকে তাদের কর্মের উৎকৃষ্টতর প্রতিদান দেবো।” (সূরা আনকাবুত-আয়াত : ৭)

সুপ্রিয় বন্ধুরা,

একজন খাঁটি মুসলিম হিসেবে আমরা সবাই চাই পাপ থেকে দূরে থাকতে। সব ধরনের পাপ-পঙ্কিলতা থেকে নিজেকে মুক্ত রেখে আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্য লাভ করতে আমরা সবাই চাই। কিন্তু পাপ ও পুণ্য একই সূত্রে গাঁথা। একটি অপরটির

Wednesday, January 4, 2012

পিতা - মাতার হক


পিতা - মাতার হক ১৪ টি, ৭ টি জীবিত অবস্থায় এবং ৭ টি মৃত্যুর পর...

জীবিত অবস্থায় ৭ টি হক:-
১. পিতা-মাতার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া
২. মনে-প্রাণে ভালোবাসা
৩. সর্বদা তাদেরকে মেনে চলা

মজার তথ্য

নখ দেখে রোগের উপসর্গ!!


শরীরের বিভিন্ন উপসর্গ নখে প্রকাশ পায়, এ কারণে চিকিৎসকদের রোগ নির্ণয় করতে সুবিধা হয় ।

১। শরীরে রক্তশূন্যতা হলে নখ ফ্যাকাশে হয়ে যায় অথবা নখ চামচের মত আকৃতি হয়ে নিচু হয়ে যেতে পারে এমনকি ক্ষয় হয়ে নখ ভেঙ্গে যেতে পারে ।
২। জন্ডিসের পূর্ব লক্ষণ হিসাবে আপনার নখ হলুদ হয়ে যেতে পারে ।
৩। রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে নখ নীল হতে পারে ।ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানসিস বলে ।
৪। নখের উপরিভাগ অনেক সময় গোলাকার আকার ধারণ করে । একে ক্লাবিং বলে । ফুসফুস ,হার্ট ,লিভার এবং অন্ত্রের কিছু বিশেষ অসুখে ক্লাবিং হয়ে থাকে ।
৫। নখের নিচে অনেক সময় সরু এক চিলতে রক্তপাত দেখা যায় । একে বলা হয় স্প্লিনটার হেমরেজ । এটি হার্টের রোগের উপসর্গ ।
৬। কিডনির রোগের কিছু উপসর্গ হিসাবে নখের উপর সাদা সাদা দাগ হতে পারে ।
৭।কিছু অসুখে নখের উপর খাঁজ তৈরি হতে পারে এবং নখ ভেঙ্গে যেতে পারে ।
নখের প্রতি যত্নবান হউন । নখের কোন পরিবর্তন লক্ষ করলে অবশ্যই আপনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন ।

Tuesday, January 3, 2012

কারো ভালো খবর শুনে খুশি হওয়ার চাইতে কারো দুঃখে দুঃখিত হওয়া অনেক বেশি অর্থবহ ।। কারন , মানুষ অনেক সময় মানুষের সুখের দিনের সঙ্গী হতে তেমন ভুল করে না কিন্তু দুঃখের দিনে সেই মানুষটিকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর । দুঃখের দিনেও যে পাশে থাকবে সেই প্রকৃত বন্ধু ।।

!!! গুনীজনদের বাণী !!!!

 
*উড়ো কথা লোকের কাছে বলিও না এবং যে কথা সকলে বলে তাহার প্রতিবাদ করিও না, করিলে তোমার নির্বুদ্ধিতা প্রকাশিত হইবে । -হযরত আলী (রাঃ)
* বন্ধুত্ব গড়া, মাটির উপরে মাটি দিয়ে নিজের নাম লিখার মতো সহজ আর
বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখা , পানির উপরে পানি দিয়ে নিজের নাম লিখার মতই কঠিন । -হযরত ওমর(রাঃ)
* গর্ব না করাই গর্বের বিষয় । বড় হয়েও নিজেকে ছোট মনে করা গৌরবজনক ।  -প্লেটো
তোমার যদি কোনো সমালোচক না থাকে, তবে জেনো, তোমার কোনো সাফল্যও নেই -ম্যালকম ফ্রোবেস
* সাফল্য একটি মইয়ের মত এবং কেউ কখনই পকেটে হাত রেখে মইয়ে উঠতে পারেনি" -জিগলার

শেখা

একজন শিশুর কাছে আমাদের তিনটি জিনিষ শেখার আছে !!::

(★) কোনো কারন ছাড়াও সবসময় সুখী থাকা

(
) সবসময় কিছু না কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকা

() নিজের যেটা চাই তা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে চাইতে শেখা

সত্য !

যারা ভালবাসাকে শ্রদ্ধা করে
তারা কখনো সত্যিকারের ভালোবাসা পায়না!!
আর
যারা মনে করে ভালোবাসা হচ্ছে টাইম পাস
তারা সত্যিকারের ভালোবাসা পায়, কিন্তু তারা সেটা শ্রদ্ধা করেনা,
আজব হলেও সত্য !!!

♥!! ভালবাসা মানেই ভয় !! ♥


যখন কোন ছেলে কোন মেয়েকে দেখে
তখন সে মেয়েটার সাথে কথা বলতে ভয় পায়
যখন কথা হয় তখন সে ভয় পায় তাকে পছন্দ করতে
যখন সে মেয়েটাকে পছন্দ করে ফেলে তখন সে ভয় পায়,মেয়েটাকে ভালবাসতে ।
আর একবার যখন সে মেয়েটাকে ভালবেসে ফেলে তখন সে ভয় পায় মেয়েটাকে হারাতে …

সম্পর্ক

সম্পর্ক পাখির মত!!!

যদি খুব শক্ত করে ধরে রাখেন মারা যাবে

খুব আলতো ভাবে রাখলে উড়ে যাবে

কিন্তু যদি সাবধানে রাখেন সেটা সব সময় আপনার সাথেই থাকবে...

বন্ধুত্ব

বন্ধুত্ব খুব সহজেই এবং প্রায় সময়েই
ভালোবাসায় রুপান্তরিত হয়।। কিন্তু
ভালোবাসা ভেঙ্গে গেলে সেখান থেকে আবার
বন্ধুত্বে ফিরে আসা যায় না।।